৩য় এডহক ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ইমপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (শিল্প আই আর সি) জারীর সুপারিশ
সেবা সংশ্লিষ্ট তথ্য
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
  • আমদানি নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্রের কপি*
  • কাঁচামাল আমদানি না করিলে লিয়েন ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র
  • ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রত্যয়নপত্রের কপি*
  • নির্ধারিত ছকে স্থানীয়ভাবে ক্রয়কৃত মেশিনারিজের তালিকা  (কারখানার প্যাডে)    (স্থানীয়ভাবে ক্রয়কৃত মেশিনারিজের তালিকা ছকের নমুনা লিংক)
  • নির্ধারিত ছকে আমদানিকৃত বা ক্রয়কৃত মেশিনারিজের তালিকা  (ব্যাংকের প্যাডে ব্যাংকার কর্তৃক প্রত্যয়নকৃত)  (আমদানিকৃত বা ক্রয়কৃত মেশিনারিজের তালিকা ছকের নমুনা লিংক)
  • এনটাইটেলমেন্ট পেপারসহ এডহক আই আর সি সুপারিশপত্রের কপি
  • কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত লে-আউট প্লান ও ফ্যাক্টরী লাইসেন্স-এর কপি*
  • তফসিল-১ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি’ পরিশোধ (কোড নং- ১৪২২২০২) সংক্রান্ত চালানের কপি*
  • বহুতল ভবন হইলে ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি)-এর সদস্যভুক্ত কোন ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক প্রদত্ত ভবনের উপযুক্ততার সনদ
  • হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স-এর কপি*
  • হালনাগাদ ফায়ার লাইসেন্স-এর কপি
  • পরিবেশগত ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) 
  • নিবন্ধনের কপি (সকল সংশোধনীসহ)*
  • হালনাগাদ আয়কর প্রত্যয়নপত্রের কপি 

 

মাইগভে আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

 

বি:দ্র: আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত কপিগুলি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা ব্যবস্থাপনা অংশীদার বা স্বত্বাধিকারী বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত হইতে হইবে।

সেবার ফি

নির্ধারিত ফি  ১,০০০/-

এ-চালান কোডঃ
প্রাতিষ্ঠানিক কোড- 1410201121868
অর্থনৈতিক কোড- 1422202

সেবা প্রদানের সময়সীমা
১২ কর্মদিবস
আবেদন ফরম পূরণের নিয়মাবলী
  • ১। আবেদন ফরমের লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করুন। অন্যান্য ঘরগুলো পূরণ ঐচ্ছিক
  • ২। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে প্রয়োজন হলে সংরক্ষণ করা যায় এবং পরবর্তীতে সেবা ব্যবস্থাপনা অপশন হতে ড্রাফট আবেদন পুনরায় শুরু করা যাবে।
  • ৩। আবেদন দাখিলের পর প্রতিটি আবেদনের জন্য একটা স্বতন্ত্র ট্রাকিং নম্বর প্রদান করা হবে যেটা ব্যবহার করে সেবা ব্যবস্থাপনা অপশন হতে আবেদনের অগ্রগতি জানা যাবে।
myGov - মাইগভ is an online one-stop platform for the citizens to access all the government G2C, G2B and G2G services. Bangladesh citizens can easily apply for services via multiple access points.