রাইজার/আরএমএস/সিএমএস স্থানান্তরের জন্য আবেদন
সেবা সংশ্লিষ্ট তথ্য
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র *  
  • সর্ব শেষ বিল পরিশোধের হালনাগাদ কপি*
  • প্রস্তাবিত স্থানের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রশিদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  • টাকা জমাদানের রশিদ (চাহিদাপত্র অনুসারে)

ঠিকাদারের শ্রেণী জানতে বিস্তারিত দেখুন 

 

আবেদনকারীর প্রতি নির্দেশিকা:

১. আবেদনকারীকে তারকা চিহ্নিত কাগজপত্র আবেদনের সময় ফর্মে সংযুক্তি হিসেবে সংযুক্ত করতে হবে ।

২. গ্রাহকের গ্যাস সংযোগের স্থানটি পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের সেবার আওয়াতাধীন যে জোনে অবস্থিত, আবেদনকারীকে ফর্মে অবশ্যই প্রাপক অফিস হিসেবে সংশ্লিষ্ট জোনকে বাছাই করতে হবে।

৩. পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রাথমিক অনুমোদনের পর, আবেদনকারীর অনুকূলে  নির্দেশনা ও বিপণন নিয়মাবলী অনুযায়ী নির্ধারিত সেবারমূল্য সম্বলিত চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হবে। যা আবেদনকারী কর্তৃক প্রদানকৃত মোবাইল নম্বরে মেসেজের মাধ্যমে জানানো হবে ও আবেদনকারীর মাইগভের ব্যক্তিগত ড্যাশবোর্ডে প্রদর্শিত হবে। 

৪. চাহিদাপত্রে উল্লেখিত সেবামূল্য জমাদানের প্রেক্ষিতে চূড়ান্তভাবে রাইজার/আরএমএস/সিএমএস স্থানান্তরের জন্য আবেদনটি অনুমোদন করা হবে। অনুমোদিত কপি আবেদনকারী মাইগভের ব্যক্তিগত ড্যাশবোর্ড প্রদর্শিত হবে এবং মোবাইলে মেসেজর মাধ্যমে জানানো হবে। 

সেবার ফি

গ্রাহকের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদন সাপেক্ষে গ্যাস বিপণন নিয়মাবলী অনুযায়ী সেবামূল্য নির্ধারিত হবে (রাইজার স্থানান্তর ফী, মালামালের মূল্য, নির্মাণ ব্যয় ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জামানত সমন্বয় করা হবে) এবং চাহিদাত্রের মাধ্যমে সেবামূল্য জানানো হবে।

সেবা প্রদানের সময়সীমা
৫৩ কর্মদিবস
আবেদন ফরম পূরণের নিয়মাবলী
  • ১। আবেদন ফরমের লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করুন। অন্যান্য ঘরগুলো পূরণ ঐচ্ছিক
  • ২। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে প্রয়োজন হলে সংরক্ষণ করা যায় এবং পরবর্তীতে সেবা ব্যবস্থাপনা অপশন হতে ড্রাফট আবেদন পুনরায় শুরু করা যাবে।
  • ৩। আবেদন দাখিলের পর প্রতিটি আবেদনের জন্য একটা স্বতন্ত্র ট্রাকিং নম্বর প্রদান করা হবে যেটা ব্যবহার করে সেবা ব্যবস্থাপনা অপশন হতে আবেদনের অগ্রগতি জানা যাবে।
myGov - মাইগভ is an online one-stop platform for the citizens to access all the government G2C, G2B and G2G services. Bangladesh citizens can easily apply for services via multiple access points.