ফরম চ এলপিজি গ্যাসপূর্ণ সিলিন্ডার অধিকারে রাখার লাইসেন্স মঞ্জুর (বিস্ফোরক পরিদপ্তর)
সেবা সংশ্লিষ্ট তথ্য
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • পাসপোর্ট আকৃতির ছবি*
  • ট্রেড লাইসেন্স*
  • জাতীয় পরিচয়পত্র/ নাগরিকত্বের সনদপত্র*
  • মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি/দোকান ভাড়ার সত্যায়িত কপি*
  • মজুদাগারের নকশা (সাইট ও লে-আউট)*
  • এ চালানের কপি (লাইসেন্স ফি)  *
  • এ চালানের কপি (ভ্যাট ফি) *

নকশা অনুমোদনের পর ১ বছরের মধ্যে নিম্নের দেয়া ফরমটি পূরণ করে নির্মাণ প্রতিবেদন এর স্ক্যান কপি সংযুক্তি সহ পুনরায় আবেদন দাখিল করুন। নির্মাণ প্রতিবেদন দাখিল না করলে চূড়ান্তভাবে লাইসেন্স পাওয়া যাবে না এবং  কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা।

ফরম লিংক

 

সেবার ফি

প্রথম ৫০০ কেজির জন্য ১,০০০ টাকা এবং অতিরিক্ত প্রতি ৫০০ কেজি বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ৫০০ টাকা সাপেক্ষে একটি লাইসেন্সের সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকার চালানের মূল কপি (বিঃ দ্রঃ প্রামাণিক অনুলিপির জন্য মুল লাইসেন্স ফি এর ২০% ফি প্রদান করিতে হইবে)।
ভ্যাট ফি: লাইসেন্স ফি এর ওপর ১৫% 

লাইসেন্স ফি
 

প্রাতিষ্ঠানিক কোড: 1420201122024

অর্থনৈতিক কোড: 1422199

ভ্যাট ফি
(ঢাকা বিভাগ ভ্যাট ১৫%)
প্রাতিষ্ঠানিক কোড: 1110205102047

অর্থনৈতিক কোড: 1141101


(চট্টগ্রাম বিভাগ ভ্যাট ১৫%)
প্রাতিষ্ঠানিক কোড: 1110205102032

অর্থনৈতিক কোড: 1141101

(খুলনা বিভাগ ভ্যাট ১৫%)
প্রাতিষ্ঠানিক কোড: 1110204102021

অর্থনৈতিক কোড: 1141101

(রাজশাহী বিভাগ ভ্যাট ১৫%)
প্রাতিষ্ঠানিক কোড:1110205102090

অর্থনৈতিক কোড: 1141101

(সিলেট বিভাগ ভ্যাট ১৫%)
প্রাতিষ্ঠানিক কোড:1110205102108

অর্থনৈতিক কোড: 1141101

(বরিশাল বিভাগ ভ্যাট ১৫%)
প্রাতিষ্ঠানিক কোড: 1110205102027

অর্থনৈতিক কোড: 1141101

সেবা প্রদানের সময়সীমা
১৫০ কর্মদিবস
আবেদন ফরম পূরণের নিয়মাবলী
  • ১। আবেদন ফরমের লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করুন। অন্যান্য ঘরগুলো পূরণ ঐচ্ছিক
  • ২। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে প্রয়োজন হলে সংরক্ষণ করা যায় এবং পরবর্তীতে সেবা ব্যবস্থাপনা অপশন হতে ড্রাফট আবেদন পুনরায় শুরু করা যাবে।
  • ৩। আবেদন দাখিলের পর প্রতিটি আবেদনের জন্য একটা স্বতন্ত্র ট্রাকিং নম্বর প্রদান করা হবে যেটা ব্যবহার করে সেবা ব্যবস্থাপনা অপশন হতে আবেদনের অগ্রগতি জানা যাবে।
myGov - মাইগভ is an online one-stop platform for the citizens to access all the government G2C, G2B and G2G services. Bangladesh citizens can easily apply for services via multiple access points.